বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
কভিড-১৯ অতিমারীর সময় পরিবারের সব সদস্যদের বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে গিয়ে চাকরি হারিয়েছেন ৩৪ শতাংশ নারী। এসব নারী পরবর্তী সময়ে তাদের চাকরি ফিরে পাননি। বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় উঠে এসেছে এ তথ্য।
রবিবার বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে কডিড-১৯ অতিমারীর আর্থ-সামাজিক প্রভাব এবং নীতির প্রতিক্রিয়া : ভবিষ্যতের জন্য পাঠ’ শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের দারিদ্র্য ও ইক্যুইটি গ্লোবাল প্র্যাকটিসের সিনিয়র অর্থনীতিবিদ ড. আয়াগো ওয়াম্বাইল। এতে সভাপতিত্ব করেন বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন। অনুষ্ঠানে গবেষণার পর্যালোচনা করেন বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. কাজী ইকবাল।
বিশ্বব্যাংকের গবেষণায় বলা হয়, কডিডের সময় ঢাকার মতো শহরে নারী-পুরুষ উভয়েই শেয়ার করে কাজ করেছেন। অন্যদিকে চাকরিও হারিয়েছেন অনেকে। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের চাকরি হারানোর হার বেশি। অবশ্য ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত দুই-তৃতীয়াংশ নারী তাদের হারানো চাকরি ফিরে পেয়েছেন।
ড. আয়াগো ওয়াম্বাইল তার গবেষণা প্রবন্ধে বলেন, কভিড-১৯ অতিমারীর পর বাংলাদেশে দরিদ্রতার হার হঠাৎ ঊর্ধ্বমুখী ধারায় গিয়েছে। ২০১৯ সালে দেশে দরিদ্রতা বাড়ার হার ছিল ১১ দশমিক ৩ শতাংশ, কিন্তু করোনা আসার পর ২০২০ সালে এ হার বেড়ে দাঁড়ায় ১১ দশমিক ৭ শতাংশে। এর ফলে দরিদ্রদের ওপর প্রভাব পড়েছে বেশি। নতুন করে দরিদ্র হয়েছেন অনেকে। বেশিরভাগের আয় কমে গিয়েছে। বিশেষ করে নারী, তরুণ ও শহরের বাসিন্দা এ প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন ধীরগতিতে।